ট্রেন্ডিং নিউজ

বৈদ্যুতিক গাড়ীর বহরে এবার কি তবে বাংলাদেশও নাম লেখালো?

কিভাবে IELTS-এ ভালো ফলাফল করবেন?

ইংরেজীতে “তাই না?” ব্যবহার করার কিছু সহজ টিপস!

খেয়ে আসুন আদিবাসীদের সুস্বাদু খাবার ”মুন্ডি”

তবে কি জাপানিজরা শীঘ্রই বিলুপ্তির পথে?

বৃহস্পতিবার ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮

কিভাবে IELTS-এ ভালো ফলাফল করবেন?

International English Language Testing System (IELTS) হচ্ছে ইংরেজী ভাষা পরীক্ষা দেবার সবচাইতে সহজ ও জনপ্রিয় পদ্ধতি। প্রতি বছর ২০ লাখের বেশী মানুষ এই পরীক্ষাটি দিয়ে থাকেন। এটিতে ভালো ফলাফল করলে আপনি পৃথিবীর যে কোন দেশেই পড়াশোনা ও চাকুরী করতে পারবেন। বিশ্বের ১৪০ টি দেশের প্রায় ১০ হাজার সরকারী, বেসরকারী ও অলাভজনক সংস্থা IELTS এর সনদপত্র গ্রহণ করে থাকে। এটিই একমাত্র ভাষাভিত্তিক পরীক্ষা যেটি পৃথিবীর সব দেশের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ স্বীকৃতি দিয়ে থাকে।

বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ কিংবা মাইগ্রেশন করতে যাবার জন্য ভিসার আবেদন করার আগেই সাধারনত IELTS পরীক্ষা দিতে হয়। এই কারণেই পাসপোর্ট ব্যতীত আইইএলটিএস পরীক্ষা দেয়া যায় না। এটি বৃটিশ কাউন্সিলের অধীনে হয়ে থাকে। বাংলাদেশের ৭টি বিভাগেই বৃটিশ কাউন্সিল সেন্টার রয়েছে। IELTS একটি ভাষাভিত্তিক পরীক্ষা। TOEFL এর মতো ব্যকরণভিত্তিক নয়। যার ফলে এটি অপেক্ষাকৃত সহজ। এর পূর্ণমান হচ্ছে ৯। এবং ৯ এ ৯ পাওয়াও সম্ভব।

IELTS এর সনদপত্রের মেয়াদ থাকে দুই বছর। ২ বছর পরে এটি মেয়াদ উর্ত্তীণ হয়ে যায়, এবং আবার নতুন করে দিতে হয়। এর দুইটা মজিউল। ১. একাডেমিক। বিদেশে উচ্চতর শিক্ষাগ্রহণ করতে গেলে এই মজিউলই দিতে হবে আপনার। ২. জেনারেল। (তুলনামূলক সহজ)। উল্লেখ্য, স্পিকিং আর লিসেনিং এই দুই পার্ট উভয় মজিউলের জন্যই একইরকম হয়ে থাকে।

বিঃদ্রঃ পাঠকের সর্বোচ্চ বোধগম্যকার কারণে এই পোষ্টটি আমাদের মাতৃভাষাতেই লেখা হলো। এবং প্রথম উপদেশ থাকবে, পরীক্ষার ফরম্যাট সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। যেমনঃ কত সময় পাবেন, কিভাবে এক্সাম হবে, প্রশ্নের ধরন কি হবে, ব্যান্ড স্কোর কিভাবে এসেস করা হয়, আপনার ইংরেজীর বেসিক জ্ঞান কতটুকু, আপনার কত ব্যান্ড স্কোর দরকার ইত্যাদি।

প্রতিটি মজিউল সমন্ধে সংক্ষেপে পরিস্কার ধারনা পেতে নীচের ইনফোগ্রাফটি লক্ষ্য করুনঃ

যা হোক, মূল কথায় আসি। IELTS মোট চারটি পার্টে হয়, সুতরাং এই চারটিতে ভালো করা মানেই পুরো IELTS এ ভালো করা। এসব নিয়ে একেবারে মোটা দাগের কিছু কথা বলবো।

i) লিসেনিংঃ

১) বিবিসির রেডিও শুনতে হবে প্রচুর। কিংবা পডকাষ্ট। (বৃটিশ এবং আমেরিকান উভয় একসেন্টেই চর্চা করা উচিত।) রেডিও বা পডকাষ্ট শোনাটা বেশী কার্যকর, কারণ এই মাধ্যমের মূল উপকরণ হচ্ছে আপনার কান। অপরদিকে টিভি শো বা সিনেমাতে অনেক সময় কথার চাইতে দৃশ্যতে মনোযোগ চলে যেতে পারে। এই কারণে, লিসেনিং চর্চা করার জন্য টিভি চ্যানেলের চাইতে রেডিও/পডকাষ্ট চ্যানেল বেশী উপযোগী।

২) কোনভাবেই ইন্ডিয়ান-ইংলিশ একসেন্ট ফলো করা যাবে না। (এটা বাংলাদেশের অনেক ছেলে মেয়েদের ভেতরই দেখেছি তাই আলাদা করে উল্লেখ করলাম।)

৩) ন্যাটিভ ইংলিশ স্পিকারের স্পিচ শুনতে হবে।

৪) ঢাকার নীলক্ষেতে ক্যামব্রিজ সার্টিফাইড প্রি রেকর্ডেড অডিও ফাইল পাওয়া যায়, কিংবা বিনামূল্যে অনলাইন থেকে ডাউনলোডও করে নিতে পারেন। সেগুলো দিয়েও চর্চা করা যেতে পারে। এই লেখার শেষে কয়েকটা লিংক দিয়েছি, সেগুলোও অনুসরণ করা যেতে পারে।

৫) কথা শোনার সময় বক্তার সাথে একই গতিতে এগুতে হবে, মানে কয়েক সেকেন্ড আগে সে কি বলেছে – ভুলেও এটা মনে করার চেস্টা করতে যাবেন না। তাহলে খেই হারিয়ে ফেলবেন। বিগিনার্সরা এখানেই সবচাইতে বেশী ভুল করেন। আপনি যত বেশী চর্চা করবেন, এই জিনিসটা তত বেশী আয়ত্তে আসবে।

৬) কথা খুব মনোযোগ দিয়ে শুনবেন। প্রতিটা ডিটেইল খেয়াল করবেন। কিভাবে বাক্য শুরু করছে, কিভাবে শেষ করছে, নিজের আবেগ কিভাবে প্রকাশ করছে, কিভাবে প্রশ্ন করছে, কিভাবে থামছে, কিভাবে আবার শুরু করছে, কিভাবে ব্যাখা করছে, কাউকে কিভাবে অনুরোধ করতে হয়, কিভাবে আদেশ করলে সেটা অপমানজনক মনে হবে না – বিশেষ করে এই বিষয়গুলো খুব ভালো করে খেয়াল করবেন।

৭) সঠিক উচ্চারণ শিখুন। Plagiarism, Fuel, Sugar, Schedule, clarify (Not ক্লিয়ারিফাই), Luxirious, Version, এই ধরনের শব্দগুলোর সঠিক উচ্চারণ শিখুন। আমাদের দেশের কারিকুলাম আমাদেরকে ছোট বেলা থেকেই প্রচুর বিদেশী শব্দের ভুল উচ্চারণ শেখায়।

৮) প্রতিদিন কমপক্ষে ২ ঘন্টা বিবিসি/পডকাষ্ট শুনুন, কমপক্ষে ১ টা ইংরেজী মুভি বা ডকুমেন্টারি দেখুন সাবটাইটেল ছাড়া।

ii) রিডিংঃ

১) সাধারনত তিন প্যারাওয়ালা একটা রচনা আপনাকে পড়তে দিবে, সেখান থেকে পরবর্তীতে প্রশ্ন করা হবে। প্যারাগ্রাফগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়বেন, প্রতি প্যারার প্রথম ও শেষ লাইন এবং মাঝের গুরুত্বপূর্ণ বাক্যগুলো পেন্সিল দিয়ে আন্ডারলাইন করবেন। কোন শব্দের মানে না বুঝলে আশে পাশের শব্দ ও বাক্য দিয়ে তার মানে বোঝার চেষ্টা করুন। যেমনঃ Wood মানে কাঠ, আবার এর মানে বন-জঙ্গলও হয়। লেখক কোন মানেটা বোঝাতে চেয়েছেন, সেটা নির্ভর করবে তার প্রয়োগের উপর।

২) চর্চা করার সময় কোন শব্দের মানে না বুঝলে তৎক্ষনাৎ থেমে অর্থ অনুধাবন করার চেস্টা করুন, তারপর ডিকশনারী থেকে এর সঠিক মানেটা বের করে আপনার অনুমানের সাথে মিলিয়ে নিন। এতে করে অনুমান করা ও সঠিক শব্দার্থ শেখার অভ্যেস তৈরী হবে। আর সেই সাথে উক্ত শব্দের সমার্থক শব্দগুলোও শিখে নিন।

৩) যখন পড়বেন তখন when, where, why, how, whom, how many, which এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে খুঁজতে পড়বেন। এটাও প্র্যাকটিস করতে করতে অটোমেটিক হয়ে যাবে।

৪) ধীরে ধীরে পড়ার গতি বাড়াতে চেস্টা করুন। দরকার হলে ঘড়ি ধরে নিজেকে যাচাই করুন যে একটা ১ হাজার শব্দের প্রবন্ধ ঠিকঠাকমতো পড়তে আপনার কত সময় লাগে। তারপর সেই সময়টাকে আস্তে আস্তে কমিয়ে আনার চেষ্টা করুন।

৫) লাইন বাই লাইন বা প্রতিটি শব্দ পড়ার দরকার নেই, কারণ প্রতিটি শব্দ পড়ার মতো সময় আপনাকে দেয়া হবে না। ‍So, Follow the “Skimming and Scanning” Method.

৬) প্রতিদিন কমপক্ষে ২ টা ১ হাজার শব্দের ইংরেজী আর্টিকেল ভালো করে অথচ দ্রুত  পড়ার অভ্যাস করুন।

iii. রাইটিংঃ

১) অনেকেই মনে করেন রাইটিংয়ে ভালো করতে হলে গ্রামার বা ভোক্যাবিউলারির জাহাজ হতে হবে। এটা ভুল ধারনা। আপনার যতটুকু সামর্থ্য আছে ততটুকুই ঠিকমতো কাজে লাগাতে চেষ্টা করেন। মনে আছে, ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যা সাগর আ-কার, হ্রস ই কার শেখার আগেই তাঁর বাবাকে টাকা চেয়ে চিঠি লিখেছিলেন? আমিও তাই বলবো, ইংরেজী গ্রামার বা শব্দ ভান্ডার দুর্বল হলেও সমস্যা নেই, যেটুকু জানেন সেটুকু নিয়েই মাঠে নেমে পড়ুন, আজ থেকেই ইংরেজীতে লেখালেখি শুরু করে দিন, হোক সেটা একটা ছোট্ট প্যারাগ্রাফ। এই বিষয়ে অনলাইনে অনেক আর্টিকেল ও টুলস পাবেন।

২) মূল পরীক্ষার এই অংশে থাকবে দুইটা পর্বঃ

প্রথম পর্বে আপনাকে একটা ছবি/গ্রাফ/টেবিল/চার্ট দেয়া হবে, সেটা দেখে দেখে আপনি নিজের মত করে লিখবেন; ব্যাখা করবেন।

২য় পর্বে আপনাকে কোন বিষয়ের উপর রচনা লিখতে বলা হবে। সেখানে আপনার দৃষ্টিভংগি, যুক্তি তর্ক বা সমস্যা ও সমাধান পরিস্কার করে তুলে ধরবেন। এই দুটার জন্য মোট সময় পাবেন ১ ঘন্টা।

৩) একই বাক্য দুই তিন রকম ভাবে লেখার চেষ্টা করুন। এটা খুবই দরকারী একটা স্কিল। এই স্কিলটা আপনার আজীবন কাজে লাগবে, বিশেষ করে আপনি যদি লেখালেখিকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান। নকল ধরার জন্য এখন অনেক শক্তিশালী সফটওয়্যার আছে বাজারে, সেগুলোকে আপনি কতটা ধোঁকা দিতে পারবেন সেটা নির্ভর করবে আপনার এই “রিরাইটিং” করার ক্ষমতা কতটা বেশী তার উপর।

৪) Punctuation এর ব্যবহার ভালো করে শিখুন। অনেকেই খুব ভালো ইংজেরী লিখতে পারেন, কিন্তু punctuation এর ব্যবহার জানেন না। ভালো স্কোর পেতে হলে এটা অবশ্যই জানতে হবে।

৫) অল্প কথায় বেশী করে মনের ভাব বোঝাতে চেষ্টা করেন। এটা করার জন্য ইংরেজীতে কবিতা লেখার কোন বিকল্প নেই। কারণ কবিতার নিয়ম হলো, খুব অল্প শব্দে অনেক বেশী ও ব্রড মিনিং পাঠককে বোঝাতে হয়।

৬) প্রতিদিন কমপক্ষে ৫০০-৭০০ শব্দের একটা করে আর্টিকেল লিখতে চেষ্টা করুন।

iv) স্পিকিংঃ

এটা সবচাইতে সহজ পার্ট, শিক্ষার্থীরা এই অংশেই সবচাইতে বেশী নম্বর পেয়ে থাকে। আশা করি এই তথ্যটা আপনার আত্নবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে।

১) আপনি প্রশ্ন করতে পারেন, যদি আপনার ইন্টারভিউয়ার প্রশ্ন করেন – Do you know how a rocket is made? তাহলে কি উত্তর দিবেন? কারণ এই প্রশ্নের উত্তর তো আপনাকে বাংলায় দিতে বল্লেও ঠিকমতো দিতে পারবেন না। কারণ কিভাবে রকেট বানানো হয়, সেটা আপনি জানেন না। তাহলে উপায়?

উপায় হলো, যা ইচ্ছে বলে যাবেন। কারণ প্রশ্নকর্তা আপনার ইংরেজীজ্ঞান দেখবে, সত্যি সত্যিই রকেট উৎক্ষেপন নিয়ে আপনার জ্ঞান কতটুকু, সেটা জানা তার উদ্দেশ্য নয়। সুতরাং, আপনি রকেট নিয়ে যা যা জানেন, সেটা প্রাসঙ্গিক হোক বা না হোক, স্রেফ বলে যাবেন গড়গড় করে। তাতেই উতরে যাবেন।

২) স্পিকিং তিনটা পর্বে বিভক্তঃ

১ম পর্বে আপনার নিজের ব্যাপারে জিগেস করা হবে। যেমনঃ আপনার পরিবার, বাসা, কর্মস্থল, আগ্রহ, ফিউচার প্ল্যান, শখ, ফেভারিট পাস টাইম ইত্যাদি। সময় পাবেন ৪-৫ মিনিট।

২য় পর্বে আপনাকে র‌্যানডমলি প্রশ্ন করা হবে, লটারি করে। সময় পাবেন ১-২ মিনিট।

৩য় পর্বে আপনাকে উক্ত টপিক থেকে আরো কয়েকটি প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করা হবে, ৪-৫ মিনিট। এই পর্বে আপনি বিস্তারিত বলার সুযোগ পাবেন।

৩) ইন্টারভিউয়ারের প্রশ্নগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে শুনবেন। যেমনঃ সে আপনাকে আপনার দেশের খাদ্য নিয়ে বলতে বললো। আপনি কিন্তু আমাদের দেশের লোকেদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বলবেন না, বলবেন আমাদের দেশের খাদ্যাচার নিয়ে। মানে আমাদের দেশের ঐহিত্যবাহী খাবারগুলো সম্পর্কে বলবেন।

৪) প্রতিদিন কমপক্ষে ২ ঘন্টা ইংরেজীতে কথা বলার চেষ্টা করুন। কাউকে না পেলে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের সাথেই নিজে কথা বলেন। আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের স্পিকিংয়ের মূল সমস্যা হলো, তারা খুবই লজ্জা পায়, ইংরেজী বলতে বিব্রতবোধ করে। ইংরেজীতে কথা বলা চর্চা করার সময় লজ্জা, জড়তা, সংকোচ জাতীয় ফালতু জিনিসপাতি একদম ঝেড়ে ফেলতে হবে।

৫) কথা বলার সময় একদম স্বাভাবিক ও ন্যাচারাল থাকবেন, দৈনন্দিন জীবনে আপনি যেখাবে কথা বলেন সেভাবেই বলবেন। আমি খেয়াল করে দেখেছি, আমাদের দেশের অনেক ছেলে-মেয়ে ইংরেজীতে কথা বলার সময় কেমন যেন মেকি আর কৃত্রিম হয়ে যায়, অংগভংগিগুলো খুবই আরোপিত মনে হয়। আর আমতা আমতা করতে থাকে। এসব একেবারেই করা যাবে না।

  • কথা বলার সময় রিল্যাক্সড থাকবেন। খুব বেশী উম্ম, এ্যা, এইসব করবেন না।
  • ফ্লুয়েন্ট হতে চেষ্টা করবেন, কিন্তু তার চাইতেও বেশী জরুরী হচ্ছে স্পষ্ট থাকা ও আত্নবিশ্বাসী হওয়া।
  • কিন্তু বেশী আত্নবিশ্বাসী হতে গিয়ে আবার ম্যানার হারানো যাবে না। বৃটিশদের কিছু বেসিক ম্যানারিজম আছে কথাবার্তা বলার সময়, সেগুলো যেন ঠিকমতো সামলানো হয়, সেটাও মাথায় রাখতে হবে।
  • যেমনঃ Do me a favor – এটা না বলে আপনাকে বলতে হবে Would you please do me a favor? কারণ প্রথম কথাটা রুড, মনে হচ্ছে আপনি আদেশ করছেন, অনুরোধ নয়। এইসব ছোটখাটো ম্যানার বজায় না রাখলে স্পিকিংয়ের সময় মার্ক কমে যাবে।

উপসংহারঃ 

বৃটিশ কাউন্সিলের ফ্রি কোর্স, স্টাডি ম্যাটেরিয়াল ও মক টেষ্টের জন্য এই লিংকটা খুবই কার্যকর হতে পারে। এখানে যে প্র্যাকটিস ম্যাটেরিয়ালস দেয়া আছে সেগুলো যতটা পারেন ব্যবহার করুন। আর কোরার এই লিংকটাও খুবি হেল্পফুল হবে। আর সবশেষে রইলো আমাদের সবার প্রিয় বিনামূল্যে শিক্ষামূলক প্লাটফর্ম টেন মিনিটস স্কুলের আইইএলটিএস নিয়ে ভিডিওগুলোর লিংক। অবশ্য এখানে গ্রামার নিয়ে মুটামুটি বিশদ আলোচনা করা হয়েছে!

ঢাকটনিকে আমরা এই আর্টিকেলটি লিখেছিলাম ট্যাগ প্রশ্ন নিয়ে, যা কিনা আপনার স্পিকিং এবং রাইটিং চর্চায় কাজে লাগতে পারে।

এসব চর্চা করতে করতে যখন আপনার মনে হবে যে এবার আপনি পরীক্ষায় বসার জন্য প্রস্তুত, বুকিং দিয়ে ফেলুন। আর একান্তই যদি মনে করেন যে কোচিং আপনাকে করতেই হবে, তাহলে কোচিংয়েও ভর্তি হতে পারেন, সমস্যা নেই।

Comments

মন্তব্য করুন

এই বিভাগের অন্যান্য পোস্ট