ফেসবুকে রিলেশনশীপ স্ট্যাটাস দেবার Pros & Cons.

info5

রিলেশনশীপ স্ট্যাটাস দেবার Pros:

১) আগে যে সব বন্ধুরা পাত্তাও দিতো না, তাদের রিলেশনশীপ স্ট্যাটাস নিয়ে টিপস টুপস দিতে গলে বলতো “যার নিজের Girl friend নাই তার কাছ থেকে কোন টিপস চাই না।” – এখন সেই সব বন্ধুরাই নিজে থেকে গায়ে পড়ে ইনবেক্স হেল্প চাইছে। “দোস্ত বিপদে পড়সি। ওর ঐটা নিয়ে অমুক ঝামেলা হইসে। হেল্পা। B-)

২) আগে যে সব আন্টিদের কাছে তাদের হাতের রান্না খাবার বায়না ধরলে হাই তুলতে তুলতে বলতেন – ”এ আর এমন কি? বাসায় চলে আইসো যে কোন একদিন।” মানে হইলো, “তুমি বিশেষ কেউ না যে তোমার জন্য আলাদাা রান্না বান্না করা লাগবে। যে কোন দিন আইসা পড়ো. আমরা যা খাই তুমিও তাই খাইবা। বুয়া রানসে না আমি রানসি, এত কিছু দেখার কি দরকার রে বাপ?”

এখন সেই আন্টিরাই বলে – “অবশ্যই সাথে করে ওকেও নিয়ে আসবা। একা আসবা না। আর আসার আগে অবশ্যই একদিন আগে জানাবা। হুট করে চলে আসবা না। হবু বউমার জন্য ভালো মন্দ কিছু রাধঁবো নিজ হাতে। ”

৩) কিছু বিটলা বন্ধু আছে যারা সিংগেল থাকলেও পচানি দিবে। না থাকলেও দিবে। উদাঃ ধুর তোর লগে কে প্রেম করবো?

রিলেশন স্ট্যাটাস দিবার পরেঃ মাইয়ার মাথায় নাকি সমস্যা আছে শুনলাম। নাইলে তো তোর লগে প্রেম করার কথা না। >:(

৪) আগে যে সব বড় ভাইরা নিজের মতামতকে পাত্তা দিতো না, তারাই এখন আগ বাড়িয়ে মতামত জিগেস করে, তারপর শেষে বলে – “তা ইয়ে, ওর সাথেও আলাপ আলোচনা করে দেখো, ও কি বলে!”। মানে রিলেশনশীপে চলে গেলে নিজের গুরুত্ব রাতারাতি বেড়ে যায়। :/

রিলেশনশীপ স্ট্যাটাস দেবার Cons:

১) যে সব মেয়েগুলো ইনবেক্স চি চি করে তুমি তুমি করে ভাইয়া ভাইয়া ডাকতো, হঠাৎ করেই তারা আপনি করে আংকেল ডাকা শুরু করে। 🙁

২) যারা যারা মনে মনে পছন্দ করতো, কিন্তু মুখ ফুটে বলার সাহস বা সুযোগ পায় নাই, তারা মুচকি হেসে এমন একটা কথা বলবে ইনবক্সে, যেটার মানে হইতেছে – “ আমি কি কম সুন্দর ছিলাম? কি নাই আমার ভিত্রে? আমারে এইভাবে দাগা না দিলেও পারতা”! 🙁

৩) আর যারা সাহসী এবং/অথবা রাগী এবং/অথবা অধৈয্যশীলা, তাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে গিয়ে লেখা উঠে – You cannot reply to this conversation. মানে ব্লক করসে আর কি! :/

৪) ছোট ভাই বোনেরা আবদার শুরু করে। ভাবীকে বলো এইটা কিনে দিতে। ঐটা কিনে দিতে। যতই বলা হোক না কেন, “আরে ভাবী কই পাইলি. এখনো তো ভাবী হয় নাই” – খুব একটা লাভ হয় না।

৫) নতুন পরিচিত মেয়েদের দুইটা ভালো কথাও বলা যায় না। উদা.
বাহ আপু আপনার হাতের রান্না তো খুব সুন্দর! দেখতেই তো সুস্বাদু মনে হচ্ছে।
ছিহ, আপনার না জিএফ আছে? তার পরেও ফ্লাট করেন?
ফ্লাট করলাম কই? প্রশংসা করলাম। :O
আপনাদের প্রশংসা বুঝি ভাই। আপনারা শুরু করেন হাতের রান্না দিয়ে। তারপর হাত বেয়ে বেয়ে শরীরের আরো জাগায় চড়ে বসেন।
আস্তাগফিরুল্লাহ। এসব কি বলছেন আপু?
জ্বি, কম তো দেখলাম না। পুরুষ মানুষ চেনা আছে আমার। যান এসব গিয়ে আপনার জিএফকে বলুন। আমাকে শোনাতে আসবেন্না।

Comments

comments

error: Please dont copy DhakaTonic! কপি করে লুজার রা!